পোস্টগুলি

#Untitled

ছবি
  #Untitled    (Collected from #Facebook) ছেলে আর মেয়ের মধ্যে ভেদাভেদ বন্ধ হলে, সমাজটা অনেক সুন্দর হবে। 'কন্যা সন্তান ভাগ্য করে আসে' বলা মা বাবা রাও এক সময় হয়ত ছেলেই চেয়েছিল। কন্যা সন্তান চাওয়া টা এখন অনেক TREND, এই আপনি ই যদি বলেন আপনি পুত্র সন্তান চান তখন একদল নারীবাদী আপনার দিকে প্রশ্নের বান নিয়ে ধেয়ে আসবে। কন্যা সন্তান ভাগ্য করে আসে বলে আপনারাই কন্যা সন্তান দের নিচে নামিয়ে দিচ্ছেন। সন্তান সুস্থ হোক এটাই চাওয়া যেতে পারে না? একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে আমার কাজ সমাজকে নিজের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা, আর আমি তাই করে গেলাম না হয়..... পুরুষ আর নারী একে অপরের পরিপূরক। নারীর যেমন মাতৃত্ব আছে,তেমনি পুরুষের ঔরস না পেলে সেই মাতৃত্ব পরিপূর্ণ হয়না। 😍😍😍😍😍😍😍😍 স্বয়ং মহাদেব এর মধ্যেও অর্ধনারীশ্বর রয়েছে, তাহলে আমরা কেন এই ভেদাভেদ করি? পুরুষ আর নারী প্রকৃতির এক ও অভিন্ন অংশ😇 লেখা: Anuska

#Untitled

ছবি
  #Untitled    (Collected from #Facebook) বৈশাখ মানেই আমাদের আকাশে বাতাসে কেমন যেন কবি কবি গন্ধ। গত দু'দিন ধরে বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে চলছে আমাদের রবিযাপন, আমাদের কবিযাপন। কিন্তু আমাদের এই জাঁকজমকপূর্ণ জীবনটার আড়ালে লুকিয়ে থাকে একটা অন্য জগৎ, শিক্ষার আলো যেখানে প্রবেশ করে না, যাদের জীবনে শুধুই অন্ধকার আর পেটে খিদের হাহাকার। এমনই এক অন্ধকার সমাজের দুটো ছোট্ট ছোট্ট ফুলের মতো মেয়ে টুসকি আর ফুলকি, পিঠোপিঠি দুই বোন। আমাদের চারপাশে এরকম অনেক টুসকি ফুলকিরা হয়তো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, যাদের খোঁজ আমরা কেউ রাখি না। এক ২৫ শে বৈশাখের সকাল। চারিদিকে গমগম করে চলছে আমাদের প্রাণের ঠাকুর রবিঠাকুরের জন্মজয়ন্তী পালনের উৎসব। আমাদের এই টুসকি আর ফুলকির জীবনে ঠিক কেমন ভাবে ধরা দেন আমাদের রবিঠাকুর?? আমার কল্পনায় তারই একটা ছবি আঁকার চেষ্টা করলাম..... - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - টুসকি : দিদি, এই দিদি, ঐ শোন না, মাইকে আজ সকাল থেকে কি যেন বলছে। "হ্যাল্লো, হ্যাল্লো......আপনারা সবাই চলে আসুন।"....আজ কি হবে রে দিদি ওখানে? কম্বল দেবে?? ফুলকি :...

#Untitled

ছবি
  #Untitled    (Collected from #Facebook) আমরা কি অদ্ভুত জীব, তাই না!! হ্যাঁ, আজকাল নিজেদের মানুষ বলতে লজ্জা লাগে আমার। একজন উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী আমব্রেলা বানান ভুল বললে আমরা তাকে নিয়ে খিল্লি করে ট্রলের বন্যায় ভাসিয়ে তাকে ভাইরাল করি। আবার একজন ছাত্র বা ছাত্রী বোর্ড পরীক্ষায় ভালো র‍্যাঙ্ক করলেও আমরা তাকে নিয়ে ট্রল করতে ছাড়ি না। আচ্ছা, ঠিক কি চাই আমরা?? আমরা কিসে খুশী?? ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া করে সফল হলে আমরা খুশী, নাকি তারা লেখাপড়া না করলে আমরা খুশী!! আমি সত্যিই খুব কনফিউজড। মাধ্যমিকে প্রথম দেবদত্তা মাঝি। তার ছোট ছোট করে কাটা চুলের জন্য তাকে ট্রল করা হলো "হিজড়া" বলে। উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম শুভ্রাংশু সর্দার। তাকে ট্রল করা হচ্ছে "বুড়ো দাদু" বলে। ছিঃ....ঘেন্না হচ্ছে আমার। আমাদের মতো বুড়োধারীরা এই বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলোকে বডিশেমিং করবো, অহেতুক অপমান করবো, আবার আমরাই আস্ফালন করবো আজকালকার ছেলেমেয়েরা বড়দের সম্মান করতে জানে না। এ কোন সমাজের জীব আমরা!! লজ্জা লাগা উচিৎ আমাদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার একটা একাউন্ট আছে মানেই আমার যেন অধিকার জন্মে গেল আমি যার তার কমেন্টবক্সে গিয়ে যা তা...

উৎসবের শান্তিপুর

ছবি
  উৎসবের শান্তিপুর   আমাদের শান্তিপুর উৎসবের শহর... মিলনের শহর। বারো মাসে তেরো পার্বণ নয়.... শান্তিপুরে বারো মাসে ছাব্বিশ পার্বণ বললেও কম বলা হয়। কিন্তু এ হেন শান্তিপুরের বুক থেকে একটা উৎসব আস্তে আস্তে কেমন যেন বিলীন হয়ে গেলো। হ্যাঁ..... ঝুলনযাত্রা। কতদিন আগেই বা হবে..... আশির দশক.... তখন আমাদের প্রাইমারী স্কুল হয়তো.... ঝুলনে শান্তিপুর ছিলো রীতিমতো জমজমাট.... আমার মনে এখোনো তার ঝকঝকে স্মৃতি। রাখীপূর্ণিমা বা ঝুলনপূর্ণিমার ঠিক পাঁচদিন আগে বসতো পুতুলঝুলন। শান্তিপুরে বোধহয় হেন কোনো বাড়ি ছিলো না যাদের বাড়িতে বাচ্চা ছিলো অথচ পুতুল ঝুলন বসতো না। আমরাও তার ব্যতিক্রম ছিলাম না। আমাদের পুরোনো ভাড়া বাড়িতে একটা মস্ত বড় বারান্দা ছিলো....সেখানেই আমার দাদা ঝুলন সাজাতো.... আর আমি ছিলাম তার প্যাটলার। সেই ছোট্টবেলাটি থেকেই আমি ছিলাম আমার থেকে সাত বছরের বড় দাদার যত সুকর্ম, দুষ্কর্ম, অপকর্মের একনিষ্ঠ অনুগামী। সবরকম কর্মে মুখটি বুঁজে দাদার হুকুম তামিল করাই ছিলো আমার কাজ.... সে কাগজের বল বানিয়ে ক্রিকেট খেলাই হোক, ডান্ডাগুলি খেলাই হোক, ঘুড়ি ওড়ানোই হোক, নেড়াপোড়া করাই হোক বা ঝুলন সাজানোই হোক। ঝুল...